স্বপ্ন ও সমাজ ( গল্প ) / তারিফ আলম

3rd September 2023 11:04 am তারিফ আলম
স্বপ্ন ও সমাজ ( গল্প ) / তারিফ আলম


গল্প -- * স্বপ্ন ও সমাজ * 

লেখা - তারিফ আলম 

 

ছিঃ ছিঃ মেয়েকে শেষে এই কাজ করতে পাঠালে , কেউ বিয়ে করবে না তোমার মেয়েকে , সারা জীবন ঘরে বসে থেকে যাবে । তোমার মেয়ে আমাদের গ্রামের সম্মান নষ্ট করেছে --- এ গ্রামে তোমাদের আর থাকতে দেওয়া যেতে পারে না --- হাজিপুর এর হামিদ আলির কথা শেষ হতে না হতে সালিশি সভায় উপস্থিত সকলে একযোগে গ্রাম থেকে বের করে দেওয়ার কথাটা কে সমর্থন করলো । না করেও উপায় নেই । কে চাইবে বনে বাস করে বাঘ এর সাথে শত্রুতা করতে । গ্রামের হত্তাকত্তা নেতা মোড়ল এর হামিদ আলির বিরুদ্ধে কথা বলা মানে বিপদ ।

আমিনা বিবি এতক্ষন চুপ করে বসে শুনছিলেন , এখন আর নিজেকে স্থির রাখতে পারলেন না , সকলের কাছে কাঁদতে কাঁদতে মিনতি করতে লাগলেন , তারা যেন তাদের গ্রামে থাকতে দেয় । মেয়ে বাড়ী ফিরলে তাকে আর ঐ কাজ করতে দেবে না বলে কথা দিল । গ্রামের সম্মান নষ্ট আর করবে না তারা ।

******************************

“ তুই কলেজে আসবি না , আর কি ক্লাস করবি না “?

রুমা টোটো থেকে নেমে সিতারার উদ্দেশ্য প্রশ্ন টা ছুড়ে দিল ......

সিতারা একবার কলেজ এর দিকে চেয়ে দেখে নিয়ে একটু নকল হাসি হেসে মাথা নেড়ে ‘না “ বলল । প্রিয় বন্ধু এর কাছে টোটো এর ভাড়া বাবদ হাত পেতে ১০ টাকা নিতে খুব কষ্ট হচ্ছিল সিতারার ,কিন্তু না নিলে উপায় নাই , বাড়ীতে টাকা নিয়ে ফিরে গেলেই তাদের বাড়ীতে উনুনে ভাতের হাড়ি টা বসবে । ঘরে অসুস্থ মা , দুই ছোট বোন । তাদের পেটে দু মুঠো খাবার যাবে ।

একসময় সব কিছু কত সুন্দর ছিল যখন বাবা বেঁচে ছিলেন । সিতারা পড়াশুনায় খুব ভালো বলে বাবার গর্বের সীমা ছিল না । সব সময় মা কে বলতেন , আমি সারাদিন টোটো চালিয়ে যা ইনকাম করবো ... তার অর্ধেক সিতারার পড়াশুনার জন্য খরচ করবো ।

মা শুনে রাগ করে বলতেন , তোমার মাথা কি খারাপ হয়েছে ...... মেয়ের বিয়ের জন্য টাকা না জমালে কি করে মেয়ের বিয়ে দেবে শুনি ?

বাবা হেসে সিতারা কে পাশে ডেকে বলতেন ... আমার মেয়ের বিয়ের জন্য ছেলে কে পন দেওয়ার জন্য টাকা জমানোর দরকার নাই, স্কুলের সব দিনিমনিরাই বলেছেন , আমার সিতারা পড়াশুনায় সবার ফাস্ট । পড়াশুনা ভালভাবে করাতে পারলে সে ঠিক চাকরি পেয়ে যাবে , তখন সে “ নিজের বিয়ের জন্য নিজেই পন” হবে “।

সিতারা তার বাবা কাসেম খান এর কথা মনে প্রানে গেঁথে নিয়ে পড়াশুনা করে যেত । বেলদা কলেজে এর ইংরেজি ডিপার্টমেন্ট এর প্রথম বর্ষের পরীক্ষায় ফাস্ট গার্ল সে ।

কিন্তু সব কিছুই লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল যে দিন নেতা হামিদ আলির দলের লোকেরা ডেকে নিয়ে গিয়েছিল । মা যেতে মানা করেছিলেন , হামিদ আলি ভালো লোক না । তার দলে যেওনা । বাবা দুঃখ করে বলেছিলেন , হামিদ আলি ঘর করার জন্য সরকারি টাকা যে দিন থেকে পাইয়ে দিয়েছিলেন , সে দিন থেকেই নাকি তিনি তাঁর গোলাম হয়ে গিয়েছেন । আসলে টাকা টা সরকারি হলেও এই সব নেতাদের দয়াতেই পাওয়া যায় । তাই যখন ডাকবে তখন যাওয়া ছাড়া উপায় নাই ।

......সেই দিন সেই যে গিয়েছিলেন , ফিরলেন ,কিন্তু প্রান হীন দেহ নিয়ে । কোথাও গোষ্ঠী সংঘর্ষে বোমার আঘতে মারা গিয়েছেন ।

তারপর দুঃখের আর শেষ ছিল না । জীবন ধারন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ল । মুদি দোকান সহ প্রায় সব দোকানে ধার হয়ে গেল । সারাদিনে একবারও প্রায় খাওয়া জুটত না । সিতারার কলেজ যাওয়া বন্ধ হল । কলেজ ফি দেওয়ার জন্য টাকা ছিল না । মা চিন্তায় চিন্তায় অসুস্থ হয়ে পড়লেন । ছোট দুই বোন এর খিদের কান্না শুনে নিজেকে আর স্থির রাখতে পারে নি সিতারা । বাবার টোটো টা নিয়ে নিজেই চালাতে শুরু করেছে । মেয়ে হয়ে টোটো চালানো ---- সামাজ মেনে নেবে না । কিন্তু সমাজের ধার ধারলে নিজের অসুস্থ মা , ছোট বোনরা না খেতে পেয়ে মরবে । সমাজের রক্ষাকারীরা দু মুঠো ভাত এনে তুলে দেবে না , বিনা স্বার্থে কেউ দেয় না কিছুই এই পৃথিবীতে ।

টাকা টা নিয়ে দ্রুত টোটো টা ঘুরিয়ে নিয়ে বাসস্ট্যান্ড এর দিকে চলল । রোজ বাসস্ট্যান্ড থেকে কলেজ পর্যন্ত কলেজের ছেলে – মেয়েদের নিজের টোটো তে বসিয়ে নিয়ে আসা – যাওয়া করে সিতারা খাতুন । রোজ এখন কলেজ এ আসে , কিন্তু শুধু কলেজ গেট পর্যন্ত , কলেজে ঢোকার ক্ষমতা নেই এখন তার , কলেজের ফী দিতে না পারায় পড়াশুনা বন্ধ । ফাস্ট হয়েও মার্কসিট টা নেওয়া হয় নি । কি হবে নিয়ে , কে দেখবে , বাবা তো আর নেই । বাবা বেঁচে থাকলে মার্কসিট টা নিয়ে কতবার কত জন কে যে দেখাতেন আর কত আনন্দ করতেন তার ঠিক নেই ।

বাবা নেই , বাবার স্বপ্নও আর নেই । সে কোন দিন আর পুরন করতে পারবে না বাবার ইচ্ছা । চোখ জলে ভরে গেল সিতারার । টোটো চলাতে চালাতে সামনের সব কিছুই ঝাপসা হয়ে এল ।

--------------------------

দুপুরে বাড়ী পৌঁছে গিয়ে সিতারা দেখে বাড়ীর সামনে গ্রামের গন্য মান্য ব্যাক্তিগনরা আলোচনায় ব্যাস্ত । গ্রামের নেতা মোড়ল হামিদ আলি চিৎকার করে বললেন .........তুমি মুসলমান ঘরের মেয়ে হয়ে টোটো চালাচ্ছ , লজ্জা করে না , গ্রামের বউ – বেটিরা কেমন বোরখা পরে আছে তা দেখতে পাচ্ছ না ।

সিতারা খুব শান্ত স্বরে বলল ... বোরখা পরা না পরার উপরে কি কে ভালো আর কে মন্দ তা বিচার করা সম্ভব ? মনে খারাপ হওয়ার চিন্তা থাকলে যতই বোরখা পরিয়ে রাখো না কেন সে খারাপ কাজ করে ফেলবে । আমি তো নিজের শরীর প্রদর্শন করছি না । শুধু নিজের মা ও বোন দের মুখে দু মুঠো ভাত তুলে দিচ্ছি । তার জন্য আমি টোটো চালাচ্ছি । গ্রামের কেউ যদি আমাদের পরিবারের ভার গ্রহন করে তাহলে আমি টোটো চালানো ছেড়ে দেব ।

সিতারার কথা শুনে সভায় উপস্থিত সকলে চুপ । হামিদ আলি রাগে গজগজ করছিলেন । কিন্তু মুখ দিয়ে কিছু বলছিলেন না । সভার অন্য সকলে একে একে উঠে বাড়ীর দিকে রওনা হল । সিতারা তার মাকে আর বোন দের নিয়ে ঘরে ঢুকল । অনেক বেলা হয়ে গিয়েছে । হাঁড়িতে ভাত বসাতে হবে যে ।

...........................।সমাপ্ত ..................।





Others News

ভুল / তারিফ আলম

ভুল / তারিফ আলম


*ভুল*
লেখা – তারিফ আলম

আমার রুমের দরজাটা ভালো করে লাগিয়ে এলাম । দিদিমার ঘুমের ওষুধের কৌটোটা চুরি করে নিয়ে এসেছি । দেখলাম তার মধ্যে ৭ টা মতো বড়ি আছে । সব গুলো এক সাথে খেয়ে ঘুমালে আর কোন দিন ঘুম ভাঙ্গবে না মনে হয় । যদি ভেঙে যায় ? এদিকে নিজের ওড়না টা সিলিং ফ্যানে বেঁধে রেখেছি , গলায় দিয়ে ঝুলে পড়বো ভাবছি ...............কি করবো বলুন তো ?
ওহ ...... আপনাদের তো বলাই হয় নি । আমি তুলসী , ক্লাস টেন এ পড়ি মোহনপুর উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে । আমার বাবা অমিত মাইতি একটি প্রাইমারী স্কুলের হেড মাস্টার । গ্রামের সকলে তাঁকে খুব সম্মান করেন । আমিও আমার বাবা – মা কে খুব ভালোবাসি ।
কিন্ত আমার জীবন টা পুরো বদলে গেল যখন ভালোবাসা টা অন্য কাউকে দিতে গিয়েছিলাম ......... সে রকি । কলেজে পড়ে , খুব বড়লোকের ছেলে । স্কিন টাইট গেঞ্জি আর জিন্স প্যান্ট – এ তাকে খুব সুন্দর লাগতো । তার এক কান দুল আর গলায় ও হাতে চেন – মনে হতো যেন হিন্দি সিনেমার হিরো বরুন এর মতো । আমি যখন স্কুলে যেতাম বা স্কুল থেকে ফিরতাম সে তার নতুন সুন্দর দামী বাইক টা নিয়ে আমার চলার পথের আশে – পাশে চক্কর দিত , আর আমাকে মাঝে মাঝে ইশারা করতো । আমি সব দেখলেও তাকে না দেখার ভান করে চলে যেতাম ।
একদিন আমি যখন স্কুল থেকে বাড়ী ফিরছিলাম তখন সে তার বাইক নিয়ে আমার পথ আগলে দাঁড়ায় , তারপর আমার হাতে একটা চিরকুট ধরিয়ে দিয়ে আবার বাইক নিয়ে সেখান থেকে চলে যায় । আমি বাড়ী ফিরে ভীষণ কৌতূহল নিয়ে চিরকুট টি ব্যাগ থেকে বের করে দেখি যে তাতে লেখা ... I LOVE YOU TULSI ,
মনটা সেদিন কেমন এক অজানা অনুভুতিতে ভরে গিয়েছিল । তার পরের দিন আমার মোবাইলে অজানা এক নাম্বার থেকে ফোন আসে । রিসভ করতে , ও দিক থেকে রকির গলা । কেমন আছো তুলসী । আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি , তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারবো না , তুমি কি আমাকে ভালোবাসো ?
আমি সে দিন লজ্জায় কোন উত্তর দিতে পারি নি । সারা রাত একটুও ঘুম আসে নি । সারা রাত শুধু তার কথা ভেবেছিলাম । সকালে যখন আবার রকি ফোন করে জানতে চায় তখন তাকে মানা করতে পারি নি । বলে দিয়েছিলাম যে , আমিও তাকে ভালোবাসি ।
সেই দিন স্কুল যাওয়ার পথে সে তার বাইক নিয়ে আমার সামনে এসে দাঁড়ায় , লজ্জায় তার দিকে তাকাতে পারছিলাম না । সে আমাকে তার বাইকে বসতে অনেক অনুরধ করায় আমার ইচ্ছা না থাকলেও তার মন রাখতে চেপে বসেছিলাম । সে বাইক ছুটিয়ে সে দিন আমাকে নিয়ে গিয়েছিল মনালিসা পার্ক এ । সেই পার্কে অনেক যুবক যুবতী বিভিন্ন স্থানে বসে প্রেম করছিল । আমি প্রথম ঐ পার্কে গেলাম । এক পাশে বসে আমি আর রকি গল্প করছিলাম । রকি সে দিন হটাত আমাকে জড়িয়ে ধরেছিল । আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম । রকি তার মোবাইল নিয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে ছবি আর ভিডিও তুলছিল । সে আমার বক্ষকে অর্ধ অনাবৃত করে ছবি আর ভিডিও তুলতে শুরু করে । আমি বাধা দি , ছবি আর ভিডিও ডিলিট করতে বলি , কিন্তু সে ভালোবাসার দিব্যি দিয়ে বলে যে সে সে গুলো দেখে পরে ডিলিট করে দেবে । আমি তাকে বিশ্বাস করছিলাম । তার ভালোবাসাকে বিশ্বাস করেছিলাম । তাই আর কিছু বলেছিলাম না ।
কিন্তু যখন স্কুলে আমার সিনিয়র কাকলি দি এর কাছে জানতে পারলাম যে , রকি একটা বাজে ছেলে । কাকলি দি এর সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক করে তার সর্বনাশ করে তাকে ছেড়ে দিয়েছে , তখন থেকে তাকে আমি ঘৃণা করতে শুরু করি । তার ফোন রিসিভ করতাম না । একবার ফোন করতে তাকে আমি বলেছিলাম যে , সে একটা শয়তান ।
সে শুনে হা হা করে শয়তানের হসি হেসে বলেছিল , তার সাথে বাইকে চেপে যদি না যাই সে আমার ক্ষতি করে দেবে । আমি তার ফোন নাম্বার রিজেক্ট লিস্টে ফেলে দিয়েছিলাম ।
তারপর দিন যখন স্কুলে গিয়েছি তখন বান্ধবী রিনা ছুটে এসে আমাকে ক্লাস রুমের এক পাশে ডেকে নিয়ে গিয়ে একটা ভিডিও দেখাল । সেই ভিডিও টা পার্কে তোলা রকির ভিডিও যেখানে আমার অর্ধ নগ্ন বক্ষ দেখা যাচ্ছে । রিনা বলল প্রায় সবার ওয়াটস ওয়্যাপ এ এই ভিডিও টা কেউ সেন্ড করে ছড়িয়ে দিয়েছে ।
ভিডিও টা দেখে আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারি নি , লজ্জায় আর ভয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠেছিলাম । কাঁদতে কাঁদতে কখন যে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলাম তা জানি না । যখন জ্ঞান ফিরল তখন দেখলাম আমি স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের কমন রুমে শুয়ে আছি । আমকে ঘিয়ে সকল শিক্ষক - শিক্ষিকা । একটু দূরে দেখলাম স্কুলের হেড স্যার এর সাথে আমার বাবা । বাবাকে স্কুল থেকে খবর দিয়ে হয়তো ডেকে এনেছে । বাবা সব দেখেছেন । ভাবছেন তার মেয়ে কত নোংরা , কত অসভ্য । কি লজ্জা .........উউ ফফফফ কি কষ্ট । মাটির সাথে মিশে যেতে ইচ্ছা হচ্ছে । বাবার কত সম্মান আজ সব আমি মাটিতে মিলিয়ে দিলাম , কেন যে এত বড় ভুল করলাম , কেন যে রকির মতো একটা শয়তানকে ভালবাসতে গেলাম । তার অন্তরের রুপ না বুঝে কেবল বাইরের রুপের উজ্জলের আলোক বশীভূত হয়ে কি ভুল না করে ফেলেছি । আমি কাঁদছিলাম , কমন রুমের বাইরে উৎসুক ছাত্র ছাত্রীদের ভিড় । নিজের বুকে ওড়নাটা ভালো করে জড়িয়ে ধরেছিলাম । যেতে কেউ না দেখে এই ‘নারী বক্ষ’ । উফফফফ কি লজ্জা । চোখ খুলে তাকাতে পারছিলাম না ।
বাবা এসে আমাকে কিছু বললেন না , শুধু মাথায় হাত বোলালেন , আমি তাঁকে কাঁদতে কাঁদতে জড়িয়ে ধরেছিলাম , বাবার চোখেও জল ছিল ।
বাবার সাথে বাড়ী ফিরতেই মা দৌড়ে এসে আমার চুল মুঠি ধরে একটার পর একটা চড় মারতে লাগলেন । আর বলতে লাগলেন , কেন এই অসভ্য নোংরা মেয়েটাকে আমি জন্ম দিয়েছিলাম । আমি কাঁদছিলাম , আর বলছিলাম আমাকে মেরে ফেলো মা , আমি একটা নোংরা মেয়ে , তোমাদের পরিবারের সম্মান নষ্ট করেছি । আমার বাঁচার কোন অধিকার নাই , আমাকে মেরে ফেলো মা ......মেরে ফেলো ।
বাবা আর দিদিমা এসে মা এর হাত থেকে আমাকে উদ্ধার করে । আমি কাঁদছিলাম .........অনেক কাঁদছিলাম নিজের ভুলের জন্য ।
ওহ ...... আপনাদের নিজের দুখের কথা বলতে বলতে অনেক দেরি হয়ে গেল ......... এখন রাত ২ টা বাজে । বাড়ীর সকলে গভীর নিদ্রাতে মগ্ন । আমার হাতে ঘুমের ওষুধ আর ফ্যান এ টাঙ্গানো আমার ওড়নাটা । আপনারাই বলুন আমি এখন কি করবো ?