মণিপুরে নগ্ন করে মহিলাদের উপরে অত্যাচার

21st July 2023 6:03 pm সংবাদ
মণিপুরে নগ্ন করে মহিলাদের উপরে অত্যাচার


নয়াদিল্লি: নগ্ন করে হাঁটানো হচ্ছে দুই গণধর্ষিতা মহিলাকে। তাঁদের ঘিরে চলছে একদল জনতার পাশবিক উল্লাস। মণিপুরের এই ভিডিও সামনে আসতেই বিক্ষোভে উত্তাল দেশ। প্রশ্নের মুখে ডাবল ইঞ্জিন সরকারের ভূমিকা। সেই ঘটনায় বৃহস্পতিবার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট।  কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকার কড়া সমালোচনায় সরব স্বয়ং প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। জানিয়ে দেন, মণিপুরে ঘটনা ‘সার্বিকভাবে সাংবিধানিক ব্যর্থতা’রই ছবি। এখানেই ক্ষান্ত হননি তিনি। জানতে  চান, এই ঘটনায় কেন্দ্র এবং মণিপুর সরকারের তরফে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে? মেলেনি সদুত্তর। এর পরেই কড়া ভাষায় প্রধান বিচারপতি সাফ জানিয়ে দেন, ‘মণিপুর সামলান। দ্রুত কোনও পদক্ষেপ নিক সরকার। নাহলে আমরা (শীর্ষ আদালত) বুঝে নেব।’ অর্থাৎ, সরকার আগামী কয়েকদিনের মধ্যে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে পদক্ষেপ করবে সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ২৮ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি।
ঘটনাটি ঘটেছে ৪ মে। ইম্ফল থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে, কাংপোকপি জেলায়। বুধবার রাতে সামনে আসে ন্যক্কারজনক সেই ভিডিও। সেই নির্মমতা দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়ে গোটা দেশ। বাদ যায়নি শীর্ষ আদালতও। এদিন স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে প্রধান বিচারপতি কড়া ভাষায় বলেন, ‘আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এই ঘটনা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সরকারের উচিত কড়া ব্যবস্থা নেওয়া।’ এখানে না থেমে ক্ষোভ উগরে তিনি বলেছেন, গোষ্ঠী সংঘর্ষের ক্ষেত্রে মহিলাদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই ঘটনা সংবিধান লঙ্ঘনের এক মারাত্মক নিদর্শন। তিনি আরও বলেন, ‘যদি সরকার দ্রুত এব্যাপারে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তাহলে আমরা করব। আদালত চায়, সরকার এগিয়ে এসে ব্যবস্থা নিক ও দোষীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করুক। সংবাদমাধ্যম ও ভিডিওতে যা দেখা গিয়েছে, তা চূড়ান্ত সাংবিধানিক ব্যর্থতার ছবি।’ দোষীদের শাস্তি দিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা আদালতে জানাতে হবে কেন্দ্র ও রাজ্যকে।





Others News

পশ্চিম মেদিনীপুর পাবলিক লাইব্রেরির নিয়োগে চরম দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ এর অভিযোগ

পশ্চিম মেদিনীপুর পাবলিক লাইব্রেরির নিয়োগে চরম দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ এর অভিযোগ


 

News: পুরুলিয়ার পর এবার পশ্চিম মেদিনীপুর পাবলিক লাইব্রেরীর নিয়োগে উঠল চরম দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ এর অভিযোগ । অনেকের কাজ করার কোন অভিজ্ঞতা লাইব্রেরীতে নেই , কিন্তু ভুয়া অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি পেয়েছে বলে অভিযোগ । এছাড়া ফল প্রকাশে ভাগ ভাগ করে নাম্বার দেওয়া হয় নি , অর্থাৎ লেখা পরীক্ষা, কম্পিউটার টেস্ট ,ইন্টারভিউ – কে কত পেয়েছে তা জানানো হয় নি আলাদা ভাবে ।এক কর্মকর্তা নিজের আত্মীয়কে অন্য জেলা থেকে ডেকে এনে এখানে চাকরি দিয়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ উঠছে ।এছাড়া সব জেলায় লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ হলেও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নিয়োগে জেলার ছেলেদের অগ্রাধিকার না দিয়ে সব অন্য জেলার ছেলে মেয়েদের  নিয়োগ করার গুরুতর অভিযোগ উঠছে ।

ইন্টারভিউ দিতে গেলে অনেক কে নতুন নতুন সার্টিফিকেট চাওয়া হয় , কিন্তু সে গুলো আনাতে বলা হয় নি আগে , সেই কারনে নাম্বার না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ।

অভিযোগকারিগন জানান তারা ডি এম এর কাছে ডেপুটেশান দেবেন এবং হাইকোর্টে কেস করবেন ।