স্কুল-কলেজেই এবার স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের ক্যাম্প

8th December 2021 7:17 pm সংবাদ
স্কুল-কলেজেই এবার স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের ক্যাম্প


News: টাকার অভাবে রাজ্যের অনেক পড়ুয়া পেশাগত শিক্ষা, উচ্চশিক্ষার সুযোগ পান না। সেটা মাথায় রেখেই গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইমতো তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হয়েই তিনি এই প্রকল্প বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দেন। সরকার শপথ নেওয়ার দু’মাসের মধ্যে চালু হয় স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড। গত ছ’মাসে এই প্রকল্পে অনেকে অভাবী পড়ুয়াই আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। এদিন কর্ণজোড়ায় সেই প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর কাছে মুখ্যমন্ত্রী জানতে চান, এখনও পর্যন্ত কত পড়ুয়া আবেদন করেছে এবং কতজন স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড পেয়েছে? উত্তরে প্রশাসনিক সচিবরা জানান, à§§ লক্ষ ১০ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে প্রায় à§«à§® হাজারের নিষ্পত্তি হয়েছে। শুনে খানিক অসন্তুষ্ট হন মমতা। বলেন, নিষ্পত্তি না হওয়া আবেদনের সংখ্যাও কম নয়। জেলায় জেলায় নোডাল অফিসার নিয়োগ করতে বলুন। প্রকল্প দেখভালে টাস্ক ফোর্স গঠনেরও নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। 
পয়লা জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত স্টুডেন্ট সপ্তাহ পালনের কথা আগেই ঘোষণা হয়েছিল। এদিনের বৈঠকে সেই বিষয়টি ফের মনে করিয়ে দেন মমতা। বৈঠকে আধিকারিকদের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে জানানো হয়, স্টুডেন্ট সপ্তাহে রাজ্যে ২৫ হাজার স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে সেই কাজ চলতে থাকবে।
দুই দিনাজপুরে বহু মৎস্যচাষি রয়েছেন। সেব্যাপারে অবগত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও। তাই মৎস্যজীবীদের জন্য কার্ডের কথা বৈঠকে তিনি তুলে ধরেন। বলেন, ওই কার্ড থাকলে তাঁরা আর্থিক সহায়তা পাবেন। এছাড়া যে সমস্ত শিল্পী হাতের কাজ করেন, তাঁদের জন্য  à¦•ার্ড করা হচ্ছে। দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে এ বিষয়ে আবেদন করা যাবে। 





Others News

পশ্চিম মেদিনীপুর পাবলিক লাইব্রেরির নিয়োগে চরম দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ এর অভিযোগ

পশ্চিম মেদিনীপুর পাবলিক লাইব্রেরির নিয়োগে চরম দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ এর অভিযোগ


 

News: পুরুলিয়ার পর এবার পশ্চিম মেদিনীপুর পাবলিক লাইব্রেরীর নিয়োগে উঠল চরম দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ এর অভিযোগ । অনেকের কাজ করার কোন অভিজ্ঞতা লাইব্রেরীতে নেই , কিন্তু ভুয়া অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি পেয়েছে বলে অভিযোগ । এছাড়া ফল প্রকাশে ভাগ ভাগ করে নাম্বার দেওয়া হয় নি , অর্থাৎ লেখা পরীক্ষা, কম্পিউটার টেস্ট ,ইন্টারভিউ – কে কত পেয়েছে তা জানানো হয় নি আলাদা ভাবে ।এক কর্মকর্তা নিজের আত্মীয়কে অন্য জেলা থেকে ডেকে এনে এখানে চাকরি দিয়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ উঠছে ।এছাড়া সব জেলায় লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ হলেও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নিয়োগে জেলার ছেলেদের অগ্রাধিকার না দিয়ে সব অন্য জেলার ছেলে মেয়েদের  নিয়োগ করার গুরুতর অভিযোগ উঠছে ।

ইন্টারভিউ দিতে গেলে অনেক কে নতুন নতুন সার্টিফিকেট চাওয়া হয় , কিন্তু সে গুলো আনাতে বলা হয় নি আগে , সেই কারনে নাম্বার না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ।

অভিযোগকারিগন জানান তারা ডি এম এর কাছে ডেপুটেশান দেবেন এবং হাইকোর্টে কেস করবেন ।