গল্প - শয়তান

3rd December 2020 7:05 pm তারিফ আলম
গল্প - শয়তান


সিনেমা হলের বাইরে দাঁড়িয়ে বিড়িতে টান দিতে দিতে রাজু ক্রোধে ফুঁসতে লাগলো - “শালাকে আজ শেষ করে দেব । আজকের নতুন সিনেমাটা শালার জন্য দেখতে পেলাম না “ , নিজের ছোট ভাই নিলুকে মনে মনে গালাগাল করতে করতে বাড়ির দিকে রওনা দিল রাজু ।

সাত বছর বয়সী নিলু পাড়ার সমবয়সী ছেলে –মেয়েদের সাথে লুকোচুরি খেলা করছিল তাদের নতুন তৈরি হওয়া বাড়িতে । বাড়ির ছাদ ঢালাই হলেও এখনো প্লাস্টার হয় নি বলে এখন এটি ফাঁকা থাকে । একটু দূরে দাদুর বাড়ি । সেখানেই এখন বাবা মা ছোট ভাই এর সাথে থাকে একটি রুমে । আর একজন থাকে , সে তার বড় দাদা । নামেই দাদা –সারাক্ষন মারপিট আর কূট বুদ্ধিতে ভরা তার মাথা । বাড়ি থেকে মায়ের কাছে ঝামেলা করে টাকা নিয়ে বা চুরি করে সেই টাকা দিয়ে সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখা , বিড়ি – সিগারেট খাওয়া ও বাজে বন্ধুদের নিয়ে ঘুরে বেড়ানো তার কাজ । নিলুর বাবা যখন রাজুকে শাসন করতে যান তখন দিদিমা বাধা দিয়ে দেন । কারন দিদিমার কাছে রাজু ঘুমাতো , তার প্রতি অন্ধ স্নেহ ছিল দিদিমার । ফলে সে খারাপ কাজ করতে থাকে । আজ মায়ের বাক্স খুলে টাকা চুরি করার সময় নিলু দেখে নেয় আর মা কে বলে দেয় । তখন মা তাকে টাকা নিতে না দিয়ে বকান দেয় , সে তখন নিলুকে মারতে আসে । কিন্তু ছোটো নিলু মায়ের পিছনে গিয়ে লুকিয়ে পড়ে । ফলে রাজু আর মারতে না পেরে মায়ের হাতে চড় খেয়ে ছুটে বেরিয়ে যায় ঘর থেকে ।

লুকোচুরি খেলতে খেলতে সন্ধ্যে হয়ে এসেছে । নিলু তাদের নতুন তৈরি হওয়া বাড়ির মাঝের রুমটিতে এসে লুকিয়ে পড়ল এক কোনে । একেবারে নিস্তব্ধ । অন্ধকারে আবছা দেখল পিছনে একটা ছায়া । নিলু মনে করলো নাসির হয়তো লুকিয়েছে এখানেই । রজিনা খুঁজতে এলে একসঙ্গে ‘ধাপা’ দিয়ে দেবে । এই ভেবে নিলু দাঁড়িয়ে ছিল । হটাত পিছনে থেকে নিলুর শরীরে খুব জোরে আঘাত করলো যেন কেউ ।

উউউ মা মা গো বলে চিৎকার করে পড়ে গেল মাটিতে নিলু । দেখল তার দাদা রাজু তার বুকের উপরে এসে একদম চড়ে বসে দু হাত দিয়ে জোরে করে নিলুর গলা টিপে ধরল । আচমকা সব কিছু হতে নিলু একদম ঘাবড়ে গেল । গলা এত জোরে টিপে ধরেছে যে শ্বাস প্রশ্বাস নিতে একদম পারছিল না । চেষ্টা করছিল তার শয়তান দাদার হাত থেকে ছাড়া পেতে । কিন্তু সে বয়সে বড় আর এমন ভাবে পিছন থেকে আঘাত করে দিয়েছিল যে নিলু এমনিতেই কষ্টে তড়পাচ্ছিল , আর গায়ের সমস্ত জোর দিয়ে রাজু টিপে ধরে রেখেছিল নিলুর গলা ।

নিলু ছেড়ে দেওয়ার জন্য রাজুকে বললে , রাজু বলতে থাকে – “ তোর জন্য আজকে সিনেমা দেখা হল না আমার , তোকে আমি আজ শেষ করে দেব “ – এই কথা বলতে বলতে দেহের সমস্ত ভার দিয়ে গলা টিপে ধরে নিলুর । নিলু আর নিশ্বাস নিতে পারছিল না । কষ্টে চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছিল । জ্ঞান হারায় সে ।

রাজু ভাই এর নড়াচড়া হচ্ছে না দেখে বুঝলো যে সে মারা গিয়েছে । তাই তাকে ফেলে রাখে দিয়ে ছুটে পালিয়ে গেল ।

কতক্ষন পর নিলুর জ্ঞান ফিরল সে জানে না । জ্ঞান ফিরতেই উঠে বসার চেষ্টা করলো , কিন্তু পারলো না । গলায় , পিঠে অনেক ব্যাথা । শ্বাস নিতেও খুব কষ্ট হচ্ছে । যন্ত্রণায় কাঁদতে কাঁদতে অনেক কষ্টে বাড়ি ফিরে এসে দেখল মা পাড়ার মেয়েদের সাথে বসে উল দিয়ে শয়টার বুনছেন । নিলু কাঁদতে কাঁদতে গিয়ে মা কে বলল – “ মা আমাকে রাজু নতুন ঘরের মধ্যে গলা টিপে ধরেছিল “।

মা শুনে বললেন , “ কাঁদিস না , ও বাড়ি ফিরলে অকে বকবো”।

মায়ের কথা শুনে নিলুর আরও বেশি কষ্ট হল । সে আবার মাকে বোঝাতে চাইল যে – এটা কোন সাধারন মারমারির ঘটনা নয় , তাকে প্রানে মারার চেষ্টা করেছিল ।

“ মা , আমাকে সে গলা টিপে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল “।

মা নিলুর কথা শুনে বিস্কুটের ডিবা থেকে দুটো বিস্কুট বের করে হাতে দিয়ে বললেন যে – “ যা এটা খেয়ে নিয়ে খেলবি যা , আর কাঁদিস না , তোর বাবা এলে বলবি” ।

মাকে বোঝাতে কিছুতেই পারলো না যে শয়তান টা আজ কি ভাবে তাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল ।

নিলু মনে মনে ভাবল বাবা শিক্ষক মানুষ । বাবাকে বোঝালে অবশ্যই বুঝবেন । কিছুক্ষন পর বাবা বাজার থেকে বাড়িতে ফিরতেই নিলু ছুটে গিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরে ফুঁপিয়ে কেঁদে ওঠে । বাবা কোলে তুলে নিয়ে জিজ্ঞাসা করেন – “ কাঁদছিস কেন ? কি হয়েছে’?

নিলু নিজের গলা বাবাকে দেখিয়ে বলে যে তাকে রাজু গলা টিপে ধরেছিল । তাকে মেরে ফেলতে চেষ্টা করেছিল ।

বাবা রেগে রাজুকে খুঁজতে দিদিমার তিন তলায় রুমের বাইরে গিয়ে রাজুকে ডাক দেন । রাজু তখন দিদিমার বিছানায় আরাম করে শুয়ে আছে । আর দিদিমা গল্প করছিলেন তার সাথে । রাজু রুম থেকে বেরাল না , কিন্তু দিদিমা বেরিয়ে এসে চিৎকার করে বলতে লাগলেন – “ কি হয়েছে , রাজু কি করেছে”?

নিলু তখন দিদিমাকে বলল রাজু তার গলা টিপে ধরে তাকে মারতে চেয়েছিল ।

দিদিমা নিলুর কথা শুনে রাজুকে কিছু বলার পরিবর্তে নিলুকেই বকা দিতে শুরু করলেন । বললেন – “সব সময় রাজুর নামে মিথ্যা কথা বলা এর কাজ , রাজু কিছু করেই নি । নিলু মিথ্যা বলছে “।

দিদিমা উল্টে নিলুকেই দোষী সাজিয়ে দিল । সেই দিনের তাকে যে রাজু খুন করে দিতে চেয়েছিল – তা কাউকেই বোঝাতে পারলো না । তবে চিনে গেল – রাজু তার দাদা নয় – একটা শয়তান ।

অনেক সময় বাচ্চারা কোন বড় ঘটনা তার সাথে ঘটলেও ঠিকভাবে হয়তো বাবা মাকে বোঝাতে পারে না , বা বাবা – মা অতি সাধারন ভাবে নিয়ে নেয় । এটা অনেক সময় মারাত্মক হতে পারে । তাই সকল বাবা – মা ও অভিভাবকদের কাছে আমার বিনিত অনুরোধ , নিজের শিশু কিছু বলতে চাইলে গুরুত্ব সহকারে বোঝার চেষ্টা করবেন – না হলে হয়তো আপনার ছেলে – মেয়ে কোন বড় বিপদে পড়ে যেতে পারে ।





Others News

ভুল / তারিফ আলম

ভুল / তারিফ আলম


*ভুল*
লেখা – তারিফ আলম

আমার রুমের দরজাটা ভালো করে লাগিয়ে এলাম । দিদিমার ঘুমের ওষুধের কৌটোটা চুরি করে নিয়ে এসেছি । দেখলাম তার মধ্যে ৭ টা মতো বড়ি আছে । সব গুলো এক সাথে খেয়ে ঘুমালে আর কোন দিন ঘুম ভাঙ্গবে না মনে হয় । যদি ভেঙে যায় ? এদিকে নিজের ওড়না টা সিলিং ফ্যানে বেঁধে রেখেছি , গলায় দিয়ে ঝুলে পড়বো ভাবছি ...............কি করবো বলুন তো ?
ওহ ...... আপনাদের তো বলাই হয় নি । আমি তুলসী , ক্লাস টেন এ পড়ি মোহনপুর উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে । আমার বাবা অমিত মাইতি একটি প্রাইমারী স্কুলের হেড মাস্টার । গ্রামের সকলে তাঁকে খুব সম্মান করেন । আমিও আমার বাবা – মা কে খুব ভালোবাসি ।
কিন্ত আমার জীবন টা পুরো বদলে গেল যখন ভালোবাসা টা অন্য কাউকে দিতে গিয়েছিলাম ......... সে রকি । কলেজে পড়ে , খুব বড়লোকের ছেলে । স্কিন টাইট গেঞ্জি আর জিন্স প্যান্ট – এ তাকে খুব সুন্দর লাগতো । তার এক কান দুল আর গলায় ও হাতে চেন – মনে হতো যেন হিন্দি সিনেমার হিরো বরুন এর মতো । আমি যখন স্কুলে যেতাম বা স্কুল থেকে ফিরতাম সে তার নতুন সুন্দর দামী বাইক টা নিয়ে আমার চলার পথের আশে – পাশে চক্কর দিত , আর আমাকে মাঝে মাঝে ইশারা করতো । আমি সব দেখলেও তাকে না দেখার ভান করে চলে যেতাম ।
একদিন আমি যখন স্কুল থেকে বাড়ী ফিরছিলাম তখন সে তার বাইক নিয়ে আমার পথ আগলে দাঁড়ায় , তারপর আমার হাতে একটা চিরকুট ধরিয়ে দিয়ে আবার বাইক নিয়ে সেখান থেকে চলে যায় । আমি বাড়ী ফিরে ভীষণ কৌতূহল নিয়ে চিরকুট টি ব্যাগ থেকে বের করে দেখি যে তাতে লেখা ... I LOVE YOU TULSI ,
মনটা সেদিন কেমন এক অজানা অনুভুতিতে ভরে গিয়েছিল । তার পরের দিন আমার মোবাইলে অজানা এক নাম্বার থেকে ফোন আসে । রিসভ করতে , ও দিক থেকে রকির গলা । কেমন আছো তুলসী । আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি , তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারবো না , তুমি কি আমাকে ভালোবাসো ?
আমি সে দিন লজ্জায় কোন উত্তর দিতে পারি নি । সারা রাত একটুও ঘুম আসে নি । সারা রাত শুধু তার কথা ভেবেছিলাম । সকালে যখন আবার রকি ফোন করে জানতে চায় তখন তাকে মানা করতে পারি নি । বলে দিয়েছিলাম যে , আমিও তাকে ভালোবাসি ।
সেই দিন স্কুল যাওয়ার পথে সে তার বাইক নিয়ে আমার সামনে এসে দাঁড়ায় , লজ্জায় তার দিকে তাকাতে পারছিলাম না । সে আমাকে তার বাইকে বসতে অনেক অনুরধ করায় আমার ইচ্ছা না থাকলেও তার মন রাখতে চেপে বসেছিলাম । সে বাইক ছুটিয়ে সে দিন আমাকে নিয়ে গিয়েছিল মনালিসা পার্ক এ । সেই পার্কে অনেক যুবক যুবতী বিভিন্ন স্থানে বসে প্রেম করছিল । আমি প্রথম ঐ পার্কে গেলাম । এক পাশে বসে আমি আর রকি গল্প করছিলাম । রকি সে দিন হটাত আমাকে জড়িয়ে ধরেছিল । আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম । রকি তার মোবাইল নিয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে ছবি আর ভিডিও তুলছিল । সে আমার বক্ষকে অর্ধ অনাবৃত করে ছবি আর ভিডিও তুলতে শুরু করে । আমি বাধা দি , ছবি আর ভিডিও ডিলিট করতে বলি , কিন্তু সে ভালোবাসার দিব্যি দিয়ে বলে যে সে সে গুলো দেখে পরে ডিলিট করে দেবে । আমি তাকে বিশ্বাস করছিলাম । তার ভালোবাসাকে বিশ্বাস করেছিলাম । তাই আর কিছু বলেছিলাম না ।
কিন্তু যখন স্কুলে আমার সিনিয়র কাকলি দি এর কাছে জানতে পারলাম যে , রকি একটা বাজে ছেলে । কাকলি দি এর সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক করে তার সর্বনাশ করে তাকে ছেড়ে দিয়েছে , তখন থেকে তাকে আমি ঘৃণা করতে শুরু করি । তার ফোন রিসিভ করতাম না । একবার ফোন করতে তাকে আমি বলেছিলাম যে , সে একটা শয়তান ।
সে শুনে হা হা করে শয়তানের হসি হেসে বলেছিল , তার সাথে বাইকে চেপে যদি না যাই সে আমার ক্ষতি করে দেবে । আমি তার ফোন নাম্বার রিজেক্ট লিস্টে ফেলে দিয়েছিলাম ।
তারপর দিন যখন স্কুলে গিয়েছি তখন বান্ধবী রিনা ছুটে এসে আমাকে ক্লাস রুমের এক পাশে ডেকে নিয়ে গিয়ে একটা ভিডিও দেখাল । সেই ভিডিও টা পার্কে তোলা রকির ভিডিও যেখানে আমার অর্ধ নগ্ন বক্ষ দেখা যাচ্ছে । রিনা বলল প্রায় সবার ওয়াটস ওয়্যাপ এ এই ভিডিও টা কেউ সেন্ড করে ছড়িয়ে দিয়েছে ।
ভিডিও টা দেখে আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারি নি , লজ্জায় আর ভয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠেছিলাম । কাঁদতে কাঁদতে কখন যে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলাম তা জানি না । যখন জ্ঞান ফিরল তখন দেখলাম আমি স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের কমন রুমে শুয়ে আছি । আমকে ঘিয়ে সকল শিক্ষক - শিক্ষিকা । একটু দূরে দেখলাম স্কুলের হেড স্যার এর সাথে আমার বাবা । বাবাকে স্কুল থেকে খবর দিয়ে হয়তো ডেকে এনেছে । বাবা সব দেখেছেন । ভাবছেন তার মেয়ে কত নোংরা , কত অসভ্য । কি লজ্জা .........উউ ফফফফ কি কষ্ট । মাটির সাথে মিশে যেতে ইচ্ছা হচ্ছে । বাবার কত সম্মান আজ সব আমি মাটিতে মিলিয়ে দিলাম , কেন যে এত বড় ভুল করলাম , কেন যে রকির মতো একটা শয়তানকে ভালবাসতে গেলাম । তার অন্তরের রুপ না বুঝে কেবল বাইরের রুপের উজ্জলের আলোক বশীভূত হয়ে কি ভুল না করে ফেলেছি । আমি কাঁদছিলাম , কমন রুমের বাইরে উৎসুক ছাত্র ছাত্রীদের ভিড় । নিজের বুকে ওড়নাটা ভালো করে জড়িয়ে ধরেছিলাম । যেতে কেউ না দেখে এই ‘নারী বক্ষ’ । উফফফফ কি লজ্জা । চোখ খুলে তাকাতে পারছিলাম না ।
বাবা এসে আমাকে কিছু বললেন না , শুধু মাথায় হাত বোলালেন , আমি তাঁকে কাঁদতে কাঁদতে জড়িয়ে ধরেছিলাম , বাবার চোখেও জল ছিল ।
বাবার সাথে বাড়ী ফিরতেই মা দৌড়ে এসে আমার চুল মুঠি ধরে একটার পর একটা চড় মারতে লাগলেন । আর বলতে লাগলেন , কেন এই অসভ্য নোংরা মেয়েটাকে আমি জন্ম দিয়েছিলাম । আমি কাঁদছিলাম , আর বলছিলাম আমাকে মেরে ফেলো মা , আমি একটা নোংরা মেয়ে , তোমাদের পরিবারের সম্মান নষ্ট করেছি । আমার বাঁচার কোন অধিকার নাই , আমাকে মেরে ফেলো মা ......মেরে ফেলো ।
বাবা আর দিদিমা এসে মা এর হাত থেকে আমাকে উদ্ধার করে । আমি কাঁদছিলাম .........অনেক কাঁদছিলাম নিজের ভুলের জন্য ।
ওহ ...... আপনাদের নিজের দুখের কথা বলতে বলতে অনেক দেরি হয়ে গেল ......... এখন রাত ২ টা বাজে । বাড়ীর সকলে গভীর নিদ্রাতে মগ্ন । আমার হাতে ঘুমের ওষুধ আর ফ্যান এ টাঙ্গানো আমার ওড়নাটা । আপনারাই বলুন আমি এখন কি করবো ?